1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন

রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভা সড়কের কাজ শেষ না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং, ঠিকাদারের হুমকি

  • সম্পাদনার সময় : শুক্রবার, ২৩ জুন, ২০২৩
  • ১৬৭ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভায় ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যায়ে সাতটি সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং। স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার সংশ্লিষ্টদের ব্যাপক অনিয়মের কারণে ঠিকাদার অতি-নিম্নমানের কাজ করছেন। আর এসব কাজে প্রতিবাদ করলে ঠিকাদারের লোকজন মামলা-হামলার হুমকি দিচ্ছেন। এমন ঘটনায় পৌরসভা এলাকাজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২২-২৩ অর্থ-বছরে (এআইইউআইডিপি’র) অধীনে মোট ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। আর এই অর্থে পৌরসভা বিভিন্ন ওয়ার্ডে মোট সাতটি সড়ক নির্মাণ ও কার্পেটিং প্রকল্প হাতে নেয়। এর মধ্যে একটি বাদে ৬টি সড়কের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে, যার কার্যকাল ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত। আর নির্মাণকাজের বরাদ্দ পেয়েছে নাটোর জেলার ঠিকাদার গোলাপ কনস্ট্রাকশন। পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলম হোসেন বলেন, পৌরসভার ইতিহাসে সড়ক নির্মাণকাজে এত অনিয়ম আগে কখনো হয়নি। তিনি বলেন, ‘মানুষ পায়ে হেঁটে গেলেও সড়কের কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। আর এর প্রতিবাদ করলে ঠিকাদারের লোকজন মামলা-হামলার হুমকি দিচ্ছে।’
পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মানিক হোসেন বলেন, এই ওয়ার্ডে পৌরসভার অধীনে গত দুইদিন আগে দুটি সড়কের নির্মাণকাজ হয়েছে। অথচ নির্মাণের এক দিন না যেতেই বিভিন্ন স্থান থেকে কার্পেটিং উঠতে শুরু করেছে। বিষয়টি পৌরসভার প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জেবের আলী মোল্লা বলেন, আমার ওয়ার্ডে কাজ হলেও গুণগত মান কেমন তা সরাসরি বলতে পারব না। আপনারা দেখেন আর এলাকাবাসীকে জিজ্ঞাসা করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কাউন্সিলর বলেন, পৌরসভায় চলছে লুটপাটের রাজত্ব। এখন কাজ হয় শুধু খাতা-কলমে। বাস্তবে যদিও দু-একটি সড়কের কাজ হয়, তাতে মাত্রাতিরিক্ত দুর্নীতির কারণে তিন মাসও টেকসই হয় না।
তিনি বলেন, ‘পৌরসভা এলাকার বেশির ভাগ সড়কের কাজ করছে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশল বিভাগ। আর কমিশন বাণিজ্য ও ভাগবাঁটোয়ারার কারণে ছোটখাটো কাজেও ব্যাপক অনিয়ম করা হচ্ছে।’
এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক গোলাপ হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, খাতা-কলমে কাজগুলো আমার লাইসেন্সে হলেও সেটা আমি করছি না।
পুঠিয়া পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কাজের অগ্রগতি মোটামুটি ভালো। তবে নির্মিত সড়কের কয়েকটি স্থানে পাথর উঠে গেছে। সেগুলো পুনরায় ঠিকাদার করে দেবে।’
তবে স্থানীয় ও পৌরসভার কাউন্সিলরদের অভিযোগ, কাজগুলো গোলাপ কনস্ট্রাকশনের নামে। অথচ ওই প্রতিষ্ঠান কাজ করে না। পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল পছন্দের লোক দিয়ে নিম্নমানের ও দায়সারা কাজ করিয়ে নিচ্ছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘একটু ব্যস্ত, পরে কথা হবে।
তবে পৌর মেয়র ও বিএনপি নেতা আল-মামুন খান এর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। ফোনে খুদেবার্তারও কোনো জবাব দেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies