1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমাদের লক্ষ্য কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো : প্রধানমন্ত্রী বগুড়া জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন আহসানুল তৈয়ব জাকির নন্দীগ্রামে দেওতা খানকার ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আশিক গ্রেফতার আদমদীঘি ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা খাল-নদী খননের মাধ্যমে দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়া: -প্রতিমন্ত্রী বারী খরা সহিঞ্চু বারি গম-৩৩ জাতের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ সদর আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা শুরু পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে রোটারী ক্লাব অব বগুড়ার আয়োজনে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

  • সম্পাদনার সময় : শনিবার, ১৭ জুন, ২০২৩
  • ২৩১ বার প্রদশিত হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফাতেমা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে স্কুলের নিয়ম অনুযায়ী উপস্থিত না থাকার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর থেকেই অধিকাংশ সময় তিনি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে বিষয়টা নিয়ে এলাকায় তোড়জোড় শুরু হলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুকৌশল অবলম্বন করে বিদ্যালয়ে নিয়মিত আসলেও ১১ টায় আসে ২ টায় যায়। এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জানান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফাতেমা ইয়াসমিন ২ টা বা আড়াইটায় স্কুল হতে চলে যাওয়ায় সহকারী শিক্ষকরা এ সুযোগকে পুঁজি করে পৌনে তিনটার মধ্যে স্কুল বন্ধ করে চলে যান। অনেকে জানান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক স্কুল ফাঁকি দিতে ওস্তাদ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ২ জন শিক্ষক জানান, আমাদের এই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কারণে আমরা কলঙ্কিত। তিনি বিদ্যালয় আসেন আর চলে যান ক্লাস নেন না । আমরা চাই তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। উক্ত স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এমন অভিযোগ নিয়ে এলাকায় রীতিমতো তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়ে সরকারি বিধি মোতাবেক উপস্থিত না থাকার বিষয়ে জানতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহেল রানা জানান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সময় মত স্কুলে উপস্থিত থাকেন না। তার অনিয়ম ও সেচ্ছাচারিতায় কিছু শিক্ষকরাও সুযোগ নিয়ে থাকে। ফলে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাজীবন ব্যাহত হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফাতেমা ইয়াসমিনের অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হলেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলো তিনি ফোন রিসিফ করেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies