বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন চলার সময় ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখার প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করিমের ওপর হামলা প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল মন্তব্য করেছেন, তার ওপর হামলা হলেও ভোটগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়নি। তিনি (ফয়জুল করিম) হামলায় রক্তাক্ত হয়েছেন, এমন তথ্য তুলে ধরে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলে সিইসি বলেন, ‘রক্তাক্ত.. সব কিছু আপেক্ষিক। রক্তাক্ত.. উনি কি ইন্তেকাল করেছেন? উনি কি আপনার কতটা…আমরা যতটুকু দেখেছি, উনার কিন্তু রক্তক্ষরণটা দেখিনি। যতটা শুনেছি, উনাকে কেউ পেছন দিয়ে ঘুষি মেরেছে। ওনার বক্তব্যও শুনেছি। উনিও বলেছেন, ভোট বাধাগ্রস্ত হচ্ছে না, আমাকে আক্রমণ করা হয়েছে।‘ সোমবার বরিশালের কাউনিয়া মেইন রোডের সাবেরা খাতুন কেন্দ্রে প্রবেশের সময় হাতপাখা প্রতীকের প্রার্খী ফয়জুল করিমের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর সিইসি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, ’আমরা সাথে সাথে খবর নেয়ার চেষ্টা করেছি, ভোট কার্যক্রম ওই কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে কিনা। আমরা খবর পেয়েছি, ভোট কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়নি। উনাকে যে আহত করা হয়েছে, আমাদের এখান থেকে তখন-ই সকলের সাথে যোগাযোগ করেছি। পুলিশের কমিশনার, জেলা প্রশাসক, রিটার্নিং অফিসার- যে দায়ী, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে।‘
খুলনা ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন এবং কক্সবাজারের পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আজকে আমাদের পর্যবেক্ষণে ভোট প্রায় প্রতিটি স্থানীয় সরকারে সার্বিক অর্থে সুন্দরভাবে সুচারুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, বিচ্ছিন্ন কতগুলো ঘটনা ছাড়া।‘
তিনি ধারণা করেন, ভোটারের যে উপস্থিতি, তাতে খুলনাতে ৪২ থেকে ৪৫ শতাংশের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বরিশালে ৫০ শতাংশ, এটা কম বেশি হতে পারে। কক্সবাজারে যে পৌরসভা নির্বাচন হচ্ছে, সেখানে ৫৫ শতাংশ উপস্থিতি হতে পারে। সূত্র : বিবিসি