মহাদেবপুর (নওগাঁ) সংবাদদাতা ঃ নওগাঁর মহাদেবপুরে কুরবানীর হাটে বিক্রির জন্য ৭২ হাজার ৬শ ৩টি গবাদী পশু প্রস্তুত রয়েছে বিভিন্ন খামারে। এসব পশু বিক্রি করে লাভের স্বপ্ন দেখছেন খামারীরা। উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে এ উপজেলায় এবার কুরবানীর পশুর চাহিদা রয়েছে ৩৩ হাজার ৪শ টি। এ চাহিদার বিপরীতে খামারীরা গবাদী পশু পালন করেছেন ৭২ হাজার ৬শ ৩টি। এর মধ্যে ষাঁড়, বলদ ও গাভী রয়েছে ১৫ হাজার ৭শ ৮৩টি। ছাগল রয়েছে ৪৯ হাজার ১শ ২০ টি। ভেড়া রয়েছে ৭ হাজার ৬৭টি। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত গবাদী পশু রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাটে বিক্রয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন খামারীরা। এবার গবাদী পশুর দাম ভালো থাকায় খামারীরা লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা করছেন স্থানীয় প্রাণী সম্পদ বিভাগ। তবে গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় গবাদী পশু পালনের খরচ অনেক বেড়ে গেছে বলে জানান খামারীরা। উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের খামারী ওসমান আলী বলেন, গো খাদ্যের দাম বাড়লেও গরুর দাম বেশি হওয়ায় এবার সব খরচ বাদ দিয়েও গরু পালনে লাভ হবে। উপজেলা সদরের কলেজ পাড়ার সৌখিন খামারী প্রভাষক আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রতিবছরই কুরবানীর সময় ভারত থেকে সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধ পথে গরু আসে এতে গরুর বাজার দর কমে যাওয়ায় স্থানীয় খামারীরা লোকসানের মুখে পড়েন। এবার কুরবানীর সময় যদি ভারত অবৈধ পথে গরু না আসে তাহলে স্থানীয় খামারীরা লাভবান হবেন। উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মালেক বলেন, কুরবানীর সময় শাহীওয়ালসহ বিভিন্ন জাতের লাল গরুর দাম ও চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এ উপজেলার অনেক খামারী শাহীওয়ালসহ বিভিন্ন জাতের লাল গরু পালন করেছেন এ কারণে তারা লাভবান হবেন বলে আশা করা যায়।