1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন

মহাদেবপুরে বিদ্যুতের লোড শেডিংয়ে ভরা মৌসুমে চাল উৎপাদন ব্যাহত

  • সম্পাদনার সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ জুন, ২০২৩
  • ৫৭৭ বার প্রদশিত হয়েছে

মহাদেবপুর (নওগাঁ) সংবাদদাতা: উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ চালের মোকাম নওগাঁর মহাদেবপুরে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোড শেডিংয়ে চাল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরে এ উপজেলায় বিদ্যুতের তীব্র লোড শেডিং দেখা দিয়েছে। দিনে ৬ থেকে ৮ ঘন্টা লোড শেডিং চলছে। এতে স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড মারাত্মকভাবে বাধা গ্রস্থ হচ্ছে। বিদ্যুতের অভাবে বোরোর ভরা মৌসুমে চাল উৎপাদন করতে না পারায় বাজারে চালের সরবরাহ কমে যাচ্ছে। এতে বাজারে চালের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, মহাদেবপুরের বৃহৎ অটো রাইস মিলগুলোতে উৎপাদিত চাল স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পরেও রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে সরবরাহ করা হয়। খাদ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী রাজধানী ঢাকার চালের চাহিদার প্রায় ৫০ ভাগ পূরণ হয়ে থাকে মহাদেবপুরে উৎপাদিত চালে। এ মোকামে চাল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে। এ উপজেলায় ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৪শ টি রাইস মিল রয়েছে। এর মধ্যে বৃহৎ অটোমেটিক রাইস মিল রয়েছে ৫৭টি। এর মধ্যে কয়েকটি বৃহৎ অটোমেটিক রাইস মিল প্রতি ঘন্টায় ২৮ মেট্টিকটন চাল উৎপাদন করতে পারে। এসব মিলে দফায় দফায় লোড শেডিং এ গড়ে ৬ থেকে ৮ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। কুঞ্জবনে অবস্থিত আফজাল অটোরাইস মিলের মালিক উত্তরগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান হাসান আলী জানান, বিদ্যুতের অভাবে দিনের অর্থেক সময় মিল বন্ধ থাকছে। এতে চাল উৎপাদন অর্ধেকে নেমেছে। উপজেলার আখেড়ায় অবস্থিত ওসমান এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ এর মালিক মো: ওসমান আলী বলেন, তার অটো রাইস মিল থেকে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ ট্রাক চাল সরবরাহ করেন। কিন্তু বিদ্যুতের অভাবে চাল উৎপাদন করতে না পারায় গতকাল সোমবার মাত্র ৮ ট্রাক চাল সরবরাহ করেছেন। বিদ্যুতের এ লোড শেডিং অব্যাহত থাকলে বাজারে চালের সরবরাহ আরো কমে যাবে এবং দাম বৃদ্ধি পাবে বলেও তিনি জানান। পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মো: রবিউল আলম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি লোড শেডিং এর কথা স্বীকার করে বলেন, এ উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ২৬ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৩ থেকে ১৪ মেগাওয়াট। তবে এ সমস্যা শীঘ্রই কেটে যাবে বলেও তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies