1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন

রাজশাহীতে ভুট্টা থেকে তৈরি হচ্ছে পচনশীল পরিবেশবান্ধব ব্যাগ

  • সম্পাদনার সময় : বুধবার, ১৭ মে, ২০২৩
  • ১৬৪ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহীর পবা এলাকার ক্রিস্টাল বায়ো টেক নামে একটি প্রতিষ্ঠানে ভুট্টা থেকে তৈরি করছে পচনশীল পরিবেশবান্ধব ব্যাগ। ছয় মাস ধরে এসব ব্যাগ উৎপাদন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই মধ্যে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে এসব ব্যাগ। তবে পলিথিনের বিকল্প হলেও এর সঙ্গে পেরে উঠছে না পণ্যটি। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বলছে, প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে পরিবেশের ক্ষতিকারক পলিথিনের বিকল্প হয়ে উঠবে এ ব্যাগ।
রাজশাহীর পবার আলিমগঞ্জ এলাকায় ক্রিস্টাল বায়ো টেক কারখানা ঘুরে দেখা গেছে, আমদানি করা ভুট্টার কাঁচামাল স্টাচ (ভুট্টার হলুদ অংশ তুলে ফেলার পর সাদা অংশ) দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে এসব ব্যাগ। কাঁচামাল শুরুতে মেশিনে দিয়ে তাপ ও বাতাসের সাহায্যে ফুলিয়ে পলিথিনের মতো ব্যাগ তৈরি করা হচ্ছে। তবে আমদানিনির্ভর হওয়ায় এসব ব্যাগ পলিথিনের চাইতে খরচ একটু বেশি।
তবে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলছেন, শুরুতে আমদানির্ভির হলেও আগামীতে নিজস্বভাবেই ভুট্টা থেকে কাঁচামাল উৎপাদন করা হবে। এতে পলিথিনের কাছাকাছি দাম চলে আসবে। বর্তমানে একটি বড় সাইজের ব্যাগের দাম রাখা হচ্ছে চার টাকা, যার উৎপাদন খরচ আড়াই টাকার বেশি।
প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী ইফতেখারুল হক বলেন, কয়েক বছর ধরেই পরিবেশবান্ধব ব্যাগ উৎপাদনের চেষ্টা করা হচ্ছিল। কয়েক ধরনের ব্যাগের আইডিয়া এসেছে। তবে এটি আমাদের কাছে বেশ ভালো লেগেছে। ভুট্টার ওপরের হলুদ অংশ ফেলে দেওয়ার পর সেখানে যে অংশটি থাকে এটিকে ভুট্টার স্টাচ বলে। সেখান থেকে হয় এই ব্যাগের কাঁচামাল। এই কাঁচামাল দিয়েই এই ব্যাগ উৎপাদন করা হয়। মূলত এটি জার্মান প্রযুুক্তি। তবে এর মেশিন আমদানি করা হয়েছে ভারত থেকে।
তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা এর কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করছি। আমাদের এখানে প্রতিদিন দুই লাখ পিস ব্যাগ উৎপাদন করা সম্ভব। চাহিদা কম থাকায় আমরা একটু কম উৎপাদন করছি। এটি একটি ভালো এবং সুবর্ণ সুযোগ। এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম পলিথিন নিষিদ্ধ করে। আমরা পলিথিনের বিকল্প হিসেবে এই পণ্যটি উৎপাদন করছি। এটির চাহিদা বিদেশেও আছে। আমরা এরইমধ্যে প্রথম চালান মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি করেছি।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের সহযোগিতা ও সাহায্য পেলে এ ব্যাগ আরও ছড়িয়ে পড়বে। মূলত পলিথিনের প্রতিদ্বদ্বী হয়ে দাঁড়াবে এই ব্যাগ। অনেক সচেতন মানুষই পলিথিন আর ব্যবহার করতে চান না, তবে তারা জানতে পারেন না যে এর বিকল্প কী। পাটের ব্যাগের দামও অনেক বেশি। আমাদের এই উৎপাদিত ব্যাগের দাম অনেক কম পড়বে। ফলে এ ব্যাগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে এবং আমাদের পরিবেশকেও রক্ষা করবে।
ভুট্টা থেকে ব্যাগ উৎপাদন সম্পর্কে জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, পলিথিন ক্ষতিকারক। এর বিকল্প হিসেবে যদি কোনো ব্যাগ আসে সেটাকে আমরা স্বাগত জানাবো। এটি যাতে সহজে বাজারজাত করা যায় এবং ব্যাগ ছড়িয়ে দিতে যা যা করার জেলা প্রশাসন তা করবে বলে জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies