1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির সান্তাহারে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যুব রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ হজরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন তারেক রহমান ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ

রাজশাহীর ফুলরাজ্য ‘ড্রিমার্স গার্ডেন’

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ১৩৫ বার প্রদশিত হয়েছে

মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পলাশবাড়ীতে ১৩ বিঘা জমিজুড়ে গড়ে উঠেছে বিশাল ফুলের রাজ্য ড্রিমার্স গার্ডেন। সারা বছরই তাতে শোভা পায় হাজারও ফুল। এখানে গ্রাম বাংলার বিলুপ্তপ্রায় ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ভিন্ন রূপ দেওয়া হয়েছে। আম বাগানের ফাঁকে ফাঁকে গড়ে তোলা হয়ে এই সুন্দর বাগান।
সরেজমিনে দেখাগেছে, আম গাছের ফাঁকে ফাঁকে মাটির ওপর টবেও চাষ হচ্ছে নানা জাতের ফুল। আবার গাছের ডালে বা কোথাও শেড করে টবে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে ফুল গাছ। বাগানের বিভিন্ন জায়গায় বসার জন্য রাখা হয়েছে চেয়ার। সেখানে গল্প-আড্ডা জমে ওঠে। অনেকে ছবিও তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কয়েকটি গ্রামীণ স্থাপনাও চোখে পড়ার মতো সুন্দর। বাগানে থাকা পুকুর পাড়েও শোভা পাচ্ছে বাহারী ফুল গাছ। পুকুরের নৌকাতে সারে সারে সাজানো ফুল গাছে।
সুন্দর এই ড্রিমার্স গার্ডেনের স্বত্বাধিকারী এম আর হাসান জুবেরী বলেন, ড্রিমার্স গার্ডেনকে ফ্লাওয়ার পার্ক হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত করাতে চাই। এর মূল প্রবেশদ্বারে রয়েছে নান্দনিক তোড়ন। এই তোড়ন দিয়ে প্রবেশের সময় মানুষ যেন তার কষ্ট-দুঃখ-বেদনা ভুলে আনন্দ খুঁজে পায়। প্রাকৃতিক পরিবেশের এই বাগানে প্রাচীন এবং বর্তমান এই দুটো জিনিসের ফিউশন সৃষ্টি করা হয়েছে। এখানে আসলে দর্শনার্থীরা হারিয়ে যাবেন কল্পনার রাজ্যে।
এখানে প্রায় ৩২ জাতের লক্ষাধিক ফুল আছে উল্লেখ করে এই উদ্যোক্তা বলেন, এখানে আসা দর্শনার্থীদের জন্য প্রাকৃতিক বাগানের পাশাপাশি পুকুরে রঙিন মাছ রেখেছি। খাবার দিলে ঝাঁক মেলে আসে ওরা। এটিও যে কারো মনকে বিমোহিত করবে।
এই বাগান তৈরি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এই গ্রুপ ক্যাপ্টেন বলেন, আমার বাবা ৩৭০ আমের গাছ লাগিয়ে একটি আম্রকানন করেছিলেন। আমি এই আম বাগানের ভেতরেই ফুলের বাগান করার চেষ্টা করেছি। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ বা অন্যান্য জায়গায় এরকম সুন্দর বাগান দেখেছি। মূলত সেই সে রকম বাগানের প্রতিফলন এখানে ঘটিয়েছি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে উন্নত মানের বীজ-চারা সার পেলে এই বাগানকে আরও সুন্দরভাবে গড়ে তুলবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই উদ্যোক্তা।
গার্ডেনের পরিচালক হাসান আল সাদী বলেন, বিভিন্ন দেশ থেকে ফুল এনে চ্যালেঞ্জ নিয়েই বাগানটা শুরু করা হয়। এখন বাগানটা অনেক সুন্দর। বর্তমানে বাগানের এন্ট্রি ফি ২০০ টাকা। শুরু থেকেই দর্শনার্থীদের ভালো সাড়া পাচ্ছি। দিনে গড়ে ৫০ জনের মতো দর্শনার্থী আসছেন।
ফারজানা সুলতানা নামের এক দর্শনার্থী বলেন, যতই মন খারাপ থাকুক, এই বাগানে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থাকলেই মন ভালো হয়ে যায়। বেশ কিছু বিদেশি ফুল রয়েছে এখানে, যেগুলা প্রথম দেখলাম। খুব ভালো লাগছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies