1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের মারধরের অভিযোগ: আতঙ্কে বাসিন্দারা

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১৭৪ বার প্রদশিত হয়েছে

পাবনা প্রতিনিধি: যুবলীগের দুই নেতার নেতৃত্বে পাবনার চাটমোহর উপজেলার মুলগ্রাম ইউনিয়নের জগতলা গ্রামের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনকে দফায় দফায় মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে ও মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে দুই দফায় এ মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে ভুগছেন ঐ পল্লীর বাসিন্দারা। মঙ্গলবার দুপুরে বিয়ে বাড়ি ও এর আশপাশে বেশ কিছু পুলিশ সদস্যকে অবস্থান করতে দেখা গেছে। পুলিশ পাহাড়ায় অনুষ্ঠিত হয় বিয়ের কার্যক্রম। অভিযুক্ত যুবলীগের দুই নেতা হলেন, মূলগ্রাম ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি জগতলা গ্রামের মৃত নুরুজ্জামানের ছেলে আমির হোসেন ও ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য জগতলা গ্রামের নুর সালামের ছেলে রবিউল ইসলাম।

জগতলা গ্রামের খ্রিস্টান পল্লীর বাসিন্দা সুব্রত গমেজ জানান, ‘আমার ভাই মৃত সুবল গমেজের ছেলে সনি গমেজের সাথে গাজীপুরের কালীগঞ্জের লুইস কস্তার মেয়ে বৃষ্টি কস্তার বিয়ের নির্ধারিত দিন ছিল মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর)। গায়ে হলুদ উপলক্ষ্যে সোমবার রাতে সনি গমেজের বাড়িতে আমাদের পরিবারের ছেলে-মেয়েরা নাচ গান করছিল। এ সময় রাত আনুমানিক ১১টার দিকে আমির হোসেন নেশাগ্রস্থ অবস্থায় নাচে অংশ নিতে চাইলে আমরা তাকে নিষেধ করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সে আমাকে মারধর করে এবং হুমকী ধামকী দেয়।’

তিনি আরও জানান, ‘আমার ভাই বিশালের চোখ তুলে নেওয়ার হুমকী দেয় আমির হোসেন। এর মধ্যে ওর আরো কিছু সহযোগি চলে আসে। বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। কিন্তু রাত দুইটার দিকে আমির আলীর সহযোগী রবিউল আমাদের বাড়িতে আসে এবং আবারও তারা হট্টগোল শুরু করে। চেয়ার, প্লেট ভাংচুর করে। মঙ্গলবার সকালে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার জন্য গীর্জায় যাওয়ার পথে ভ্যান থেকে নামিয়ে আমির আলী, রবিউলসহ তাদের সহযোগিরা বর ও কনে পক্ষের জন কস্তা, শ্রাবন কস্তা, বিশাল কস্তা, জেকসন ক্রুজ, প্রত্যয় গমেজ, ট্যারেস রিবেরু সহ আরো কয়েকজনকে মারধর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ওই গ্রামে যায়। তার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।’

এ ব্যাপারে যুবলীগ নেতা আমির হোসেন ও রবিউল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের মোবাইল নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সবার সাথে কথা বলেছি। ঘটনাটি দুঃখজনক। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে বলেছি, জড়িত যারা বা যে দলের লোকই হোক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। আর আমরা ঘটনাটি আরেকটু যাচাই বাছাই করে জেলা নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। আমি নিজেও আজ (মঙ্গলবার) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আপাতত কোন সমস্যা নেই। যারা এই অপকর্ম করেছে তাদের বিরুদ্ধে আগেও অনেক অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে’।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies