তিন ধরনের বাধা ডিঙ্গিয়ে সিলেটের মহাসমাবেশে যোগদান করতে হবিগঞ্জের বিএনপি নেতাকর্মীরা এখন সিলেটে অবস্থান করছেন। শনিবার (১৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সমাবেশে যোগ দিতে বুধবার ও বৃহস্পতিবারই নেতাকর্মীরা সিলেটে যাওয়া শুরু করেন। অনেকে গিয়ে আত্মীয়-স্বজনের বাসাবাড়িতে ও পরিচিতজনদের ম্যাসে গিয়ে উঠেন। সিলেটের সমাবেশে যোগদান করতে বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে অন্তত তিন ধরনের বাধা অতিক্রম করতে হয় বলে জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জি কে গউছ।
তিনি বলেন, সমাবেশে বিএনপি নেতাকর্মীরা যাতে যোগদান করতে না পারেন সেজন্য প্রথমে সরকার মামলার আশ্রয় নেয়। ইতোমধ্যে তিনিসহ বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রুজু করা হয়েছে এবং বেশ কিছু নেতাকর্মীকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। কিন্তু সরকারের এ মেডিসিন কোনো কাজে আসেনি। দ্বিতীয়ত, সরকার পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে। তাতেও কাজ হয়নি। তৃতীয়ত, বিএনপি নেতাকর্মীদের বহনকারী ব্যক্তিগত ও ভাড়া করা মাইক্রোবাস, কার আটকে দেয়া হচ্ছে। সরকারের সর্বশেষ চেষ্টাও সফল হয়নি। হবিগঞ্জের বিএনপি নেতাকর্মীরা সিলেটের আলিয়া মাদরাসা ময়দানে অবস্থান করছেন।
মহিলা দল নেত্রী অ্যাডভোকেট ফাতেমা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, শতশত মহিলা বিএনপি নেতাকর্মী ট্রেনযোগে ও বিকল্প ওপায়ে সিলেটে এসে পৌঁছেছেন।
জেলা কৃষকদলের সভাপতি ও হবিগঞ্জ সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান আওয়াল জানিয়েছেন, বিএনপির সমাবেশ সফল করতে হবিগঞ্জের কৃষকদল সিলেট মহানগরীতে প্রচার মিছিল করেছে।
এদিকে, হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক শংক শুভ্র রায় জানিয়েছেন, কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করতে পরিবহন ধর্মঘট আহ্বান করা হয়নি। বরং নিজেদের জানমালের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে হবিগঞ্জ বাস টার্মিনালে দেখা গেছে, সিলেটের উদ্দেশে কোনো গাড়ি হবিগঞ্জ ত্যাগ করে যায়নি।