বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, খেলার মাঠে কিন্তু আত্মঘাতী গোলও হয়। অর্থাৎ নিজেদের প্লেয়ার নিজেদের গোল পোস্টেই গোল করে দেয়। ওবায়দুল কাদেররা সেই ধরনের আত্মঘাতী খেলোয়াড়। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান রতনের মুক্তির দাবিতে এই মানববন্ধন হয়।
তিনি বলেন, বিএনপির নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে বাধা দেয়া হচ্ছে। গ্রেফতার ও মারধর করা হচ্ছে। জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিটি আঘাতের সমান ও বিপরীত জবাব দেয়া হবে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, কাউকে গ্রেফতার করে বিএনপির আন্দোলন ঠেকানো যাবে না। তারা সবাই আরো ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিএনপির মহাসমাবেশ সফল করবে।
তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সরকারের একজন মন্ত্রী প্রতিদিন বলেন খেলা হবে। এটা তো ফিউচার টেনসে বলেছেন। প্রেজেন্ট টেনসে বলবেন না খেলা চলছে। কামরুজ্জামান রতনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা কামালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সারাদেশে সমাবেশ যাতে না হয় তার জন্য অনেকেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। এগুলো কী খেলার অংশ না? বিএনপির সমাবেশের দু’দিন আগে বাস মালিক ধর্মঘট ডাকে এটাও তো আপনার খেলার অংশ।
বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার সরকারের ভুল পলিসি মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘কামরুজ্জামান রতনকে গ্রেফতার করা হয়েছে যাতে ১০ ডিসেম্বর সমাবেশে লোকজন কম হয়। কিন্তু এটা আপনাদের ভুল পলিসি। কামরুজ্জামান রতনকে গ্রেফতার করার কারণে মুন্সীগঞ্জের নেতাকর্মীরা জনগণ আরো ঐক্যবদ্ধ হয়ে ১০ ডিসেম্বর সমাবেশকে সাফল্যমণ্ডিত করবে। তিনি অবিলম্বে কামরুজ্জামান রতনসহ গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য শাহজাহান খানের সভাপতিত্বে ও আবদুল কুদ্দুস ধীরেনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা আ ক ম মোজাম্মেল হক, আলী আজগর রিপন মল্লিক, শহীদুল ইসলাম শহীদ, যুবদলের সোহেল আহমদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আওলাদ হোসেন উজ্জ্বলসহ মুন্সীগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানা ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকেরা।