1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমাদের লক্ষ্য কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো : প্রধানমন্ত্রী বগুড়া জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন আহসানুল তৈয়ব জাকির নন্দীগ্রামে দেওতা খানকার ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আশিক গ্রেফতার আদমদীঘি ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা খাল-নদী খননের মাধ্যমে দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়া: -প্রতিমন্ত্রী বারী খরা সহিঞ্চু বারি গম-৩৩ জাতের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ সদর আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা শুরু পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে রোটারী ক্লাব অব বগুড়ার আয়োজনে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ওষুধের দাম বাড়ায় বিপাকে সাধারণ মানুষ

  • সম্পাদনার সময় : শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৭৬ বার প্রদশিত হয়েছে

দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মতো সম্প্রতি অতি প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম গত দেড় মাসে শতকরা প্রায় ১০০ ভাগ বেড়েছে। দেশে এখনো মানুষের চিকিৎসা বাবদ মোট খরচের বড় অংশই ওষুধের পেছনে ব্যয় হয়, সেখানে ওষুধভেদে বড় ব্যবধানে দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। জ্বালানি তেল ও ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ওষুধের বাজারে এর প্রভাব পড়েছে বলে দাবি ওষুধ প্রশাসনের। তবে বিশেষজ্ঞদের দাবি, এভাবে ওষুধের দাম বাড়লে চিকিৎসা বড় সংকটে পড়বে। ঢাকার বাসিন্দা ইভানা গাজীর বাড়িতে শিশু ও প্রবীণ- দুই বয়সের মানুষের জন্য প্রতিমাসে ওষুধ কেনা বাবদ চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা রাখতে হয়। তার সন্তানের প্রায়শই ঠান্ডা জ্বর লেগে থাকে। অন্যদিকে তার বাবা বেশ কয়েক বছর ধরেই হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি জটিলতায় ভুগছেন। এ জন্য নিয়মিত ওষুধ কিনতেই হয়। যেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা সেখানে গত জুলাই মাসে বহুল ব্যবহৃত ৫৩টি ওষুধের দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসে। ইভানা গাজীর পরিবারকে এ ধরনের অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ নিয়মিত কিনতে হয়। যার কারণে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারটিকে। তিনি বলছিলেন, ‘আমার বাচ্চার ওষুধ যদি দুই হাজার থেকে চার হাজার টাকা হয়ে যায়, আমার বাবার ওষুধের দাম যদি তিন থেকে ছয় হাজার টাকা হয়, তাহলে আমার মাসে চলবো কীভাবে? আমাদের রোজগারই বা কতোটুকু। ওষুধ বাদ দিলে তো হাসপাতালে দৌড়তে হবে। সেই অবস্থাও তো নেই। ওষুধ তো বাদ দেয়া সম্ভব না।’ ওষুধের দোকানগুলোয় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্যারাসিটামল, সেই সঙ্গে রক্তাচাপ, হৃদরোগ, ব্যথানাশক ও পেটে গ্যাসের সমস্যার নিয়মিত ওষুধগুলোর দাম ৫০ শতাংশ থেকে ১৩৪ শতাংশ বেড়েছে। অর্থাৎ কিছু ওষুধের দাম দ্বিগুণ ছাড়িয়েছে। ওষুধের দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিকে দুষছেন ওষুধ শিল্প সমিতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল মুক্তাদির। তিনি বলছেন, গত মাসে ওষুধের কাঁচামাল আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়েছিল ৮০ টাকা ডলারে। শিপমেন্ট পৌঁছানোর পর ডলারের দাম উঠেছে ১১০ টাকায়। প্রতি ডলারে ৩০ টাকা করে বেশি দিতে হয়েছে। এ ছাড়া মোড়ক, পরিবহন, বিপণন ব্যয় বাড়ার প্রভাবও ওষুধের বাজারে দেখা যাচ্ছে। ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিগুলো আরও বেশকিছু ওষুধের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরে জমা দিয়েছে। সেগুলো যাচাই বাছাই করে, যৌক্তিক মনে হলেই দাম বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান অধিদফতরের পরিচালক আইয়ুব হোসেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের তথ্যমতে, বাংলাদেশে একজন মানুষের মোট চিকিৎসা ব্যয়ের ৬৪ শতাংশ ওষুধ বাবদ খরচ হয়। এবং এই খরচ করতে রোগীর পকেট থেকেই। অর্থাৎ দেশের হাসপাতালগুলোয় চিকিৎসা নিতে গিয়ে ওষুধেই মানুষের সবচেয়ে বেশি ব্যয় হচ্ছে। বাংলাদেশে যেখানে স্বাস্থ্যবীমা খুবই সীমিত সেখানে ওষুধে এই বাড়তি দাম রোগীর ওপরে চাপ আরও বাড়াবে বলে আশঙ্কা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক নাহিদ আক্তার জাহান। এর বাইরে যে ওষুধ রয়েছে, সেগুলোর মূল্য নির্ধারণ করে ওষুধ কোম্পানিগুলো। এক্ষেত্রে সরকারের নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। তা নাহলে দেশের চিকিৎসা খাত নিম্নবিত্ত মানুষের আওতার বাইরে চলে যাবে এবং যার সার্বিক প্রভাব জনস্বাস্থ্যের ওপর পড়বে বলে তিনি জানান। তিনি দুটি উপায়ের কথা বলেছেন, সরকার অতি প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম নির্ধারণ করে দিতে পারে, যেন এর বেশি দামে কেউ বিক্রি করতে না পারে।অথবা সরকার নিজেই উৎপাদন করে অল্প দামে ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করতে পারে। ‘জীবনরক্ষাকারী ওষুধগুলোর দাম প্রাইভেট মার্কেটের ওপর ছেড়ে দেয়া যাবে না। এই দামের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত, তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষকে চিকিৎসা নিতে পকেট থেকেই বেশি খরচ করতে হয়, স্বাস্থ্যবীমা নেই বললেই চলে তাই এই দামের ওপর সরকারি নজরদারির প্রয়োজন।’ বাংলাদেশে দেড় হাজারের বেশি ধরনের ৩৫ হাজারেরও বেশি ব্র্যান্ডের ওষুধ রয়েছে এর মধ্যে কেবল ১১৭টি ওষুধের মূল্য সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তথ্যসূত্র : বিবিসি বাংলা

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies