1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্বের সব মুসলমানকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা: মানবজাতির জন্য কল্যাণ, ক্ষমা ও রহমত লাইলাতুল কদর তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ সোমবার খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১২ সিটির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ঈদ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী আদমদীঘিতে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ’লীগের ইফতার মাহফিল পাবনায় গৃহবধূ ফাতেমা হত্যা মামলায় স্বামী রাকিবুলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সুখানপুকুর ইউনিয়ন পরিষদে দুঃস্থদের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ নন্দীগ্রামে কোয়ালিটি ফিড’স লিঃ এর উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান বগুড়ায় সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ঘোড়াঘাটে দুস্থদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ সম্পূর্ণ

ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শ্বাসরোধে গৃহবধূ হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদন্ডাদেশ

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২২
  • ২১৩ বার প্রদশিত হয়েছে

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার সাঁথিয়ায় আলেয়া খাতুন নামের এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় টুটুল হোসেন (৪০) নামের একজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও একই মামলায় ভিকটিমকে ধর্ষণ চেষ্টার দায়ে ৫ বছর কারাদন্ড অনাদায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং লাশ গুমের দায়ে দুই বছর অনাদায়ে আরও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রোববার (২৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি টুটুল উপজেলার চর পাইকারহাটি গ্রামের আতাহার মল্লিকের ছেলে। আর নিহত আলেয়া খাতুন একই গ্রামের আরদোশ মল্লিকের স্ত্রী। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১ নভেম্বর দুপুরে গৃহবধূ আলেয়া খাতুন বাড়ির পাশে লাকড়ি কুড়ানো ও জমি দেখতে যান। এসময় টুটুল তাকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। কিন্তু আলেয়া খাতুনের জবরদস্তি কারণে ব্যর্থ হয়ে তাকে শাড়ি দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন এবং ধান ক্ষেতে লুকিয়ে রাখে। এদিন রাত ৩টার দিকে লাশ ধান ক্ষেতের আরও দূরে লুকিয়ে রাখে। এ ঘটনায় একই বছরের ৬ নভেম্বর সন্দেহজনকভাবে টুটুলকে পুলিশ আটক করে। পরে আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেয় এবং তার দেয়া তথ্য মতে লুকিয়ে রাখা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহত আলেয়া খাতুনের মেয়ে সাবানা আক্তার বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় টুটুলের বিরুদ্ধে ৭ নভেম্বর একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা সাঁথিয়া থানার এসআই রাশেদুল ইসলাম। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ১৩ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করা হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী চোধুরী রাজিয়া সুলতানা টুলটুলি জানান, ‘আমরা সংক্ষুব্ধ। কারণ আমরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো। আশা করি আমার মক্কেল সেখানে ন্যায় বিচার পাবেন এবং নির্দোষ প্রমাণিত হবেন। তবে রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুর রকিব। তিনি বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি দৃষ্টান্তমূলক রায়। আশা করি আইনি প্রক্রিয়া শেষে খুব দ্রুত মৃত্যুদন্ড কার্যকর হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies