বগুড়া জেলা মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও গাবতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সুরাইয়া জেরিন রনিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। রোববার দুপুরে বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে রনি তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মিছিলে হামলা, ভাঙচুর, মারপিট ও নাশকতার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার আসামি থেকে জামিন প্রার্থনা করলে জেলা জজ নরেশ চন্দ্র সরকার জামিন আবেদন না মন্জুর করে কারাগারে পাঠান। জানা গেছে, এ ঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক আদালত চত্বরসহ শহরে বিএনপি নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ করে তার মুক্তির দাবি জানান। রনির জামিনের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছেদসহ সিনিয়র আইনজীবীরা । এ ছাড়াও বিএনপি নেতৃবৃন্দের মাঝে আদালত চত্বরে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বগুড়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, এম আর ইসলাম স্বাধীন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক মাজেদুর রহমান, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী রিগ্যান, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমা আক্তারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। তারা রনির মুক্তি দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এ ছাড়াও কয়েকদিন আগে একই মামলার অপর আসামি গাবতলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোর্শেদ মিল্টন, বিএনপি নেতা ফজলে রাব্বী মন্ডল ফিরোজ, ও হারুনুর রশিদকে কারাগারে পাঠায় আদালত। বগুড়া জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র নেতা আব্দুল বাছেদ বলেন, উক্ত মামলার আসামিরা ইতোপূর্বে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেন। উচ্চ আদালতের নির্দেশে তারা বগুড়া জেলা জজ আদালতে স্থায়ী জামিনের জন্য হাজির হয়ে আবেদন করেন। এ নিয়ে ওই মামলায় মিল্টন, রনিসহ চারজনকে কারাগারে পাঠালো আদালত। উল্লেখ্য, সম্প্রতি গাবতলী উপজেলা সদরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনায় গাবতলী পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি আজিজার রহমান পাইকাড় বিএনপির ১৩৩ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৩০০ জনের নামে মামলা করেন।