1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ধানের শীষে ভোট দিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে জবাব দেয়ার আহ্বান তারেক রহমানের নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক গাবতলীতে ধানের শীষ মার্কায় ভোট চেয়ে গনসংযোগ বগুড়া জেলা কিউট হ্যান্ডবল লিগে সেভেন স্টার ক্লাব চ্যাম্পিয়ন ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা লক্ষে গাবতলীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষে ভোট দিয়ে প্রমাণ করে দেবেন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি -তারেক রহমান আমরা কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার দেখতে চাই না : ডা: শফিকুর রহমান স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়: মির্জা ফখরুল গণতন্ত্রের মূল কথা হচ্ছে জনগণ : মঈন খান পালিচড়া হাটে জি এম কাদেরের পথসভা ও গণসংযোগ

বিএনপিকে মাঠে আসার আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের

  • সম্পাদনার সময় : শনিবার, ১৬ জুলাই, ২০২২
  • ১৩৫ বার প্রদশিত হয়েছে

বিএনপিকে নির্বাচন ও রাজনীতির মাঠে আসার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘খেলা হবে, রাজনীতির মাঠে খেলা হবে। নির্বাচনের মাঠে খেলা হবে। আসুন, খেলতে নামুন, নির্বাচন আর রাজনীতির মাঠে খেলায় আসুন।’ ওবায়দুল কাদের শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এ সব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নেতিবাচক রাজনীতি আপনাদেরকে অপ্রাসঙ্গিক করে দিয়েছে, আপনাদেরই বিদায়ের ঘণ্টা বাঁজছে। খেলা হবে, খেলা হবে, রাজনীতির মাঠে খেলা হবে। নির্বাচনের মাঠে খেলা হবে। আসুন, খেলায় আসুন, নির্বাচন আর রাজনীতির মাঠে খেলায় আসুন। আগুন নিয়ে খেলবেন না, আমরা প্রতিহত করবো। আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ে সেই আগুনের খেলা প্রতিরোধ করবে। ‘সরকারের পতনের সাইরেন বাজছে’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কোথা থেকে শুনলেন, সাইরেনটা কোথায় শুনলেন? রাস্তায় যখন গাড়ি চলে এ সাইরেন শুনেছেন? সাইরেন শুনতে পাবেন আপনাদের বিদায় ঘণ্টার, নেতিবাচক রাজনীতি আপনাদেরকে অপ্রাসঙ্গিক করে ফেলেছে। আপনাদেরই বিদায়ের ঘণ্টা বাজছে। আওয়ামী লীগের বিদায় ঘণ্টা নয়।’ বিএনপি ও এক-এগারোর কুশীলবদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি ও এক-এগারোর কুশীলবরা বিদেশীদের সাথে নিয়ে আবারো দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতেছে। খুব খারাপ সময়, খুব ঝুঁকিপূর্ণ সময়। এসময়ে ঐক্যের বিকল্প নেই। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ কিছু করতে পারবে না।’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ কিছু করতে পারবে না। আওয়ামী লীগের কর্মীদের হুশিয়ার থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা আজকে কত বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে কঠিন সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছেন, সারা বিশ্বে যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া, সারা বিশ্বেই সেই প্রতিক্রিয়ায় আজকে জ্বালানি, ফুয়েলের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। মূল্যবৃদ্ধি এই ইনফ্লেশান, অবাক লাগে শ্রীলঙ্কার কথা বাদ দিলাম, আজকে ইংল্যান্ড-আমেরিকাতে ৯১.১। সর্বত্রই জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। বাংলাদেশকে এই কঠিন জমিনে অগ্রসর হতে হচ্ছে।’ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন সারারাত জেগে থাকেন যাতে দেশের মানুষ ঘুমাতে পারে। ভয়াবহ পরিস্থিতি তিনি সামাল দিয়ে যাচ্ছেন। বন্যা, করোনা, যুদ্ধের প্রভাব তিনি সফলভাবে মোকাবেলা করে যাচ্ছেন। শক্ত করে দেশের উন্নয়নের ধারা ধরে রেখেছেন। আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ থেকে তাকে শক্তি দিতে হবে। কথায় কথায় নিজেরা কলহে জড়াবেন না।’ তিনি বলেন, ‘আজকের এদিন শুধু শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস নয়, এই দিন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বন্দী দিবস। এদিন শেখ হাসিনাকে বন্দী করে আমাদের বিকাশমান গণতন্ত্রকে বন্দী করা হয়েছে।’ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রাজনীতি করতে এসে অনেকেই জেলে গেছেন। আমাদের নেত্রীও বন্দী হয়েছেন। তার আগে ক্ষমতায় ছিল বিএনপি। কিন্তু প্রথম বন্দী হন শেখ হাসিনা। তারা এসে বিরোধী দলের নেতাকে প্রথম বন্দী করে। বিরোধী দলের নেতা প্রথম বন্দী হন। সরকারি দলের নেতা তখনো বন্দী হননি। ড. ওয়াজেদের সাথে কী দুর্ব্যবহার, ঢাকার কোর্টের সামনেও একই দৃশ্য। বঙ্গবন্ধুকন্যাকে একটুও শ্রদ্ধা তারা দেখাননি।’ তিনি বলেন, ‘সেদিন যদি এই দেশের রাজনীতিকদের একটা অংশ ওই জরুরি সরকারের সাথে সহযোগিতা না করতো। তাহলে বাংলাদেশের ওয়ান ইলেভেন টিকতে পারতো না। এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কঠিন হতো। অনেক রাজনীতিক সেদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাথে যোগসাজস করে রাজনীতিকে মাইনাস ফর্মুলায় নিয়ে গেছে। আজকে আমি বলবো, আমাদের শত্রু-মিত্র চিনতে হবে। চলার পথে শত্রু-মিত্র চিনতে হবে। একবার যে বিশ্বাসঘাতক বারে বারে সে বিশ্বাসঘাতক।’ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কর্মীর সংগঠন, নেতার নয়।’ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ‘যে ষড়যন্ত্রের খেলায় মেতে উঠেছিল বিএনপি ও সেই এক-এগারো কুশীলবরা, তারা আবারো বিদেশীদের সাথে নিয়ে ষড়যন্ত্র করার জন্য সে রকম অবস্থা তৈরি করছে।’ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘তাদের ষড়যন্ত্র কিন্তু এখনো আছে। তারা আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা মানতে চায় না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়ন হবে, এদেশ এগিয়ে যাবে। এই জন্য তাদের আওয়ামী লীগের প্রতি ভীতি আছে। আজ আমাদের অঙ্গীকার করতে হবে যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার। তাদের ষড়যন্ত্রকে আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে রাজপথে প্রতিহত করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা: দীপু মণি ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন মহানগর আওয়ামীলীগ দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies