1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা খাল-নদী খননের মাধ্যমে দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়া: -প্রতিমন্ত্রী বারী খরা সহিঞ্চু বারি গম-৩৩ জাতের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ সদর আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা শুরু পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে রোটারী ক্লাব অব বগুড়ার আয়োজনে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ আমাদের শেকড় ভুলে গেলে ৫ আগস্ট বার বার ফিরে আসবে: পুতুল তালোড়ায় মরহুম লিটনের ৩০তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল দুপচাঁচিয়া পৌরসভার বিনামূল্যে ভিজিএফের চাল বিতরণ দুপচাঁচিয়ায় বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন লাচ্ছা সেমাই প্যাকেট করে খোলা বাজারে বিক্রি ঘোড়াঘাটে ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত নারী-পুরুষর

কুড়িগ্রামের নীলকমল নদে ভাঙ্গা কাঠের সেতুতে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার

  • সম্পাদনার সময় : শুক্রবার, ১ জুলাই, ২০২২
  • ১৬৩ বার প্রদশিত হয়েছে

কুড়িগ্রাম : কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তায় নীলকমল নদীর ওপর ব্রিজ নির্মানের উদ‍্যোগ নেয়নি কেউ। তাই এলাকাবাসী নিজেদের প্রচেষ্টায় তৈরি করেছে কাঠের সেতু। কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ভাঙ্গামোর ইউনিয়নের পশ্চিম নগরাজপুর গ্রামের নীলকমল নদীর উপর কাঠের তৈরী এ সেতুটি কয়েক জায়গায় ভেঙ্গে র্দীঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে । রেলিং বিহীন ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি সংষ্কারের উদ্যোগও নেয়নি কতৃর্পক্ষ। এই কাঠের সেতুটি ২০১৭ সাল থেকে বেশ কয়েকবার এলাকাসীর উদ‍্যোগে সংস্কার করা হয়। এখন এটির বেহাল অবস্থা। ফলে প্রতিদিনই ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে পারাপারের সময় দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। তাই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি ভরা বর্ষার আগেই সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এই সেতুটি মাঝিপাড়া, মিস্ত্রিপাড়া, মাস্টার পাড়া, হিন্দু পাড়া, মুন্সি পাড়া, পশ্চিম নগরাজপুর গ্রামের প্রায় ছয় হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র পথ। এ সেতু পার হয়েই তাদেরকে খোলারহাট, পাখিরহাট, খোচাবাড়ী, খড়িবাড়ী হাট ও উপজেলা সদরে আসতে হয়। এছাড়া পশ্চিম নগরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ পার্শ্ববর্তী খামার ও ব্যাপারীটারী গ্রামের মানুষকেও কৃষিকাজসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিনিয়ত এ সেতু দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এ ছাড়াও এই ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতু দিয়ে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিতে এবং উৎপাদিত কৃষিপন্য সদরের বাজারগুলোতে বাজারজাত করেন স্থানীয় কৃষকরা। স্থানীয় ইদ্রিস আলী, বেলাল হোসেন, সিরাজুল ইসলাম ও ৫নং ভাঙ্গামোর ইউপি সদস্য মাহাবুবুর রহমান জানান, অনেক আগে এলাকাবাসী নিজস্ব উদ্যোগে পারাপারের জন্য বাঁশের সাঁকো তৈরী করে কোন রকমে কষ্ট করে পারাপার হত । ২০২১ সালে আবার চলাচলের জন্য কাঠের সেতু তৈরী করে এলাকাবাসী। এখন সেতুটির দুই পার ভেঙ্গে যাওয়ায় এবং সেতুর দুই পাশে রেলিং না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। এখন প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে । বৃষ্টিতে কাঠের সেতুর পাটাতন খুবই পিচ্ছিল হয়। অনেকেই সেতু পারাপারের সময় পিছলে পড়ে আহত হচ্ছে। ৫নং ভাঙামোর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী শেখ জানান, যেহেতু এই কাঠের সেতুটি প্রায় ৮৫ ফিট লম্বা আর কাঠ খুব তারাতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। তাই এখানে একটি ব্রীজ নির্মাণ করা জরুরী। আমি এ ব‍্যাপারে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies