1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

কুড়িগ্রামে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

  • সম্পাদনার সময় : সোমবার, ২০ জুন, ২০২২
  • ১৫৪ বার প্রদশিত হয়েছে

কুড়িগ্রাম -: কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে আরো শতাধিক চর। জেলার বে-সরকারি সংস্থাগুলোর দেয়া তথ্যমতে,পানিবন্দী মানুষের সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়ালেও জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে ৪৯ টি ইউনিয়নে ৮৭ হাজার ২৩২ জন মানুষ পানিবন্দী হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতিতে কুড়িগ্রামে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে ৮৫টি মেডিকেল টিম, ৯টি উপজেলায় একটি করে মনিটরিং টিম এবং সিভিল সার্জন অফিসে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকেও ১৮টি ভেটেনারী মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, সোমবার (২০ জুন) সকালে ব্রহ্মপূত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৫১ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার এবং ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে ৪৪ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তবে কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি এখনো বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের গারুহাড়া গ্রামের খুটু মিয়া বলেন,’আমি অন্যের পুকুর লিজ নিয়ে মাছ করি। এবারও কয়েকটি পুকুরে মাছ ছাড়ছি বন্যার পানিতে তলিয়ে সব মাছ ভেসে গেছে। এতে আমার দেড় থেকে ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’ ওই ইউনিয়নের মিল পাড়া গ্রামের কাজিয়াল বলেন, ‘বাড়িতে বন্যার পানি উঠায় গবাদিপশুশুলোকে নিয়ে উঁচু সড়কে এসেছি। আমাদের সাথে সাথে গরুগুলোরও খুব কষ্ট। এখন রাস্তায় থাকা লাগবে বাড়ি থেকে পানি নেমে গেলে তার পর বাড়ি যাবো।’ যাত্রাপুরের রলাকাটা চরের বাসিন্দা আনোয়ার মিয়া বলেন,’ বানের পানিতে ঘর তলায় গেছে,ঘরের চালে গতকাল থেকে না খেয়ে আছি’। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, নাগেশ্বরীতে বেরী বাঁধের ৫০ মিটার ওয়াস আউট হয়ে গেছে। এছাড়া দুধকুমর নদীর কালিগঞ্জ, বামনডাঙ্গা ও ধাউরারকুটি এলাকায় বাঁধ ঝুকির মধ্যে রয়েছে। এই এলাকায় ৪৮ কিলোমিটার বাঁধ মেরামতের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। আগামি সেপ্টেম্বরে কাজ শুরু করা হবে। বন্যার পানি আরো তিনদিন বাড়তি থাকবে। এরপর কমে নিম্নগামি হবে। বানভাসিদের মধ্যে সরকারি সহায়তা ছাড়াও মানবিক বাংলাদেশ সোসাইটির উদ্যোগে শুকনো খাবার বিস্কুট বিতরণ করা হয়েছে। কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, বন্যার প্রস্তুতি হিসেবে জেলা প্রশাসক দপ্তরে একটি সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রতিদিনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রদান করতে বলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২০ লাখ টাকা এবং ৪০৭ মেট্রিক টন চাল মজুদ রয়েছে। এছাড়াও আরো ৫০০ মেট্রিক টন চাল ও ২০ লাখ টাকার চাহিদা দেয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies