1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কুমিল্লা সহ বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত ১২ কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষ: এক লাখ টাকা করে পাবে নিহত ১২ জনের পরিবার: রেল প্রতিমন্ত্রী  একদিনে ইসরাইলের ৫ শহরে হামলায় নিহত দুই শতাধিক রাণীনগরে হেলমেট বাহিনীর হামলার শিকার ৩ যুবদল নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার দুঃস্হদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও অসহায় পরিবারকে হুইলচেয়ার বিতরণ করলেন সাবেক এমপি লালু দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদুল ফিতর শনিবার আ.লীগের কার্যক্রম বন্ধ আছে, বন্ধ থাকবে: মির্জা ফখরুল নীলসাগর ট্রেন দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের লাইনচ্যুত ৯টি বগির উদ্ধার কাজ শেষ ; প্রায় ২২ ঘন্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু

বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ত্রিপুরায় জ্বালানি তেল নিতে চায় ভারতীয় কোম্পানি

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ২৯ মে, ২০২২
  • ১৮৪ বার প্রদশিত হয়েছে

দূরত্বের কারণে মহাসড়কে পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরায় জ্বালানি তেল নেয়ার পরিকল্পনা করছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনকারী কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন (আইওসি)। রবিবার আইওসির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসের শুরুর দিকে আসামের ডিম হাসাও জেলা ও বরাক উপত্যকা, মিজোরাম, মণিপুর এবং ত্রিপুরার সঙ্গে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের সংযোগকারী একমাত্র রেলপথটি বন্যায় ভেসে যায়। পরে আইওসি মেঘালয়ের মাধ্যমে সড়কপথে তাদের সব সরবরাহ শুরু করে। কিন্তু এতে পরিবহন ব্যয় দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। আইওসির নির্বাহী পরিচালক (ইন্ডিয়ান ওয়েল-এওডি) জি রমেশ বার্তা সংস্থা পিটিআইকে বলেন, ‘ডিমা হাসাওয়ে ভূমিধসের পর মনিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরা এবং আসামের দক্ষিণাঞ্চলে পৌঁছানোর একমাত্র উপায় সড়কপথ। এই রুটও ভূমিধসপ্রবণ। এই পরিস্থিতিতে উত্তরপূর্ব ভারতের দক্ষিণের এলাকাগুলোতে জ্বালানি সরবরাহের জন্য সরবরাহের জন্য সরকার এবং কেন্দ্র বিকল্প উপায় খুঁজতে বাধ্য হয়েছে।’ রমেশ বলেন, কোম্পানির উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় শাখা ইন্ডিয়ান অয়েল-এওডি ২০১৬ সালে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ত্রিপুরায় কয়েকটি চালান পাঠিয়েছিল। সেই সময় আসামের বরাক উপত্যকায় রাস্তার করুণ অবস্থার কারণে সরবরাহে ভয়াবহ ব্যাঘাত ঘটেছিল। ‘আমরা বিকল্প রুট হিসেবে ছয় বছরের পুরোনো নেটওয়ার্কটি পুনরায় সচলের চেষ্টা করছি। বর্তমানে আমরা কেন্দ্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের সাথে আলোচনা করছি। আমরা আশাবাদী, শিগগিরই ইতিবাচক খবর আসবে’—বলেন তিনি। কোম্পানিটি মেঘালয়ের ডাউকি হয়ে বাংলাদেশে জ্বালানি কনভয় পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। পরে সেই কনভয় বাংলাদেশ থেকে পুনরায় ভারতের ত্রিপুরার কৈলাশহরে প্রবেশ। আইওসি প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রেলপথে এক হাজার ৪০০ কিলোলিটার জ্বালানি ৩৪ দশমিক ২২ লাখ রুপির বিপরীতে ৫৭ দশমিক ৭৮ লাখ রুপিতে পরিবহনের পরিকল্পনা করছে। বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি আইওসির বেতকুচি ডিপো থেকে ধর্মনগর ডিপোতে পরিবহনের মোট দূরত্ব হবে ৩৭৬ কিলোমিটার। এরমধ্যে বাংলাদেশের ভেতরে পড়বে ১৩৭ কিলোমিটার। কিন্তু এই সড়কপথের মেঘালয়-বরাক উপত্যকা হয়ে ধর্মনগর ডিপো পর্যন্ত স্বাভাবিক দূরত্ব ৫৭৯ কিলোমিটার।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies