1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

পি কে হালদার আরো ১০ দিনের রিমান্ডে

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০২২
  • ১৭০ বার প্রদশিত হয়েছে

বাংলাদেশের প্রশান্ত কুমার হালদার (যিনি পি কে হালদার নামে বেশি পরিচিত) সহ গ্রেফতার পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড দিয়েছে ভারতের আদালত। শনিবার তিনি, তার স্ত্রীসহ মোট ছয়জনকে পশ্চিমবঙ্গের অশোকনগর থেকে গ্রেফতার করে ভারতের অর্থ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী এনফোর্সমেন্ট ডিরেকটরেট (ইডি)। বাংলাদেশের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা দাবি করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ মে) পি কে হালদারসহ পাঁচজনকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করে ইডি। শুনানির পর আদালত রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। তবে তার স্ত্রীকে ১০ দিনের জন্য জুডিশিয়াল কাস্টডি বা বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অরিজিৎ চক্রবর্তী সাংবাদিকদের বলেছেন, এদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলা করা হয়েছে। সেই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড দেয়া হয়েছে। ঢাকার একটি ব্যাংক ও অপর একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক পি কে হালদার এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মোট ৩৪টি মামলা করেছিল। এসব মামলায় তাদের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়। বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের মধ্যে থাকা বন্দী সমর্পণ চুক্তির মাধ্যমে পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তবে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে ভারতেও অপরাধের অভিযোগ থাকায় সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগবে বলে তারা ধারণা করছেন। বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা বা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন রোববার বলেছেন, ‘বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন এবং ফিনান্সিয়্যাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, বাংলাদেশের সংস্থাগুলো কিন্তু তৎপর, সজাগ আছে। এজেন্সিগুলো কাজ করছে, আপনারা দেখবেন অচিরেই তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের সম্মুখীন করা হবে।’ পি কে হালদারের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ রয়েছে যে তিনি অবৈধভাবে ভারতের পাসপোর্ট ও ভোটার আইডি কার্ড নিয়েছেন। ভারতের আইন অনুযায়ী এটি গুরুতর অপরাধ। এই অপরাধে তার বিরুদ্ধে ভারতে একটি মামলা দায়েরর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘তিনি যেখানে আছেন, সেখানে তিনি কি করেছেন, সেই দেশের আইনের মুখোমুখি হচ্ছেন। আমরাও তাকে ফেরত চাইবো আমাদের দেশের মামলাগুলোর জন্য।’ ভারতে কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা অমিতাভ ভট্টশালী বলছেন, পি কে হালদারের ক্ষেত্রে লক্ষণীয় একটি ব্যাপার হলো, এই ব্যক্তি ভারতের গুরুতর আইন ভেঙেছেন। তিনি বেআইনিভাবে ভারতের নাগরিকত্ব নিয়েছেন। সেই কারণে যদি ভারতের কর্তৃপক্ষ আলাদা মামলা করে বিচার শুরু করে, তাহলে বিচার শেষ হওয়ার আগে পর্যন্ত তাকে ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা ক্ষীণ।’ সূত্র : বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies