1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আমাদের লক্ষ্য কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো : প্রধানমন্ত্রী বগুড়া জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন আহসানুল তৈয়ব জাকির নন্দীগ্রামে দেওতা খানকার ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আশিক গ্রেফতার আদমদীঘি ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা খাল-নদী খননের মাধ্যমে দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়া: -প্রতিমন্ত্রী বারী খরা সহিঞ্চু বারি গম-৩৩ জাতের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ সদর আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা শুরু পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে রোটারী ক্লাব অব বগুড়ার আয়োজনে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

রাণীনগরে জমিতেই শীষ থেকে গজাচ্ছে নতুন ধান গাছ ব্যাপক লোকসানের কবলে কৃষক

  • সম্পাদনার সময় : শনিবার, ১৪ মে, ২০২২
  • ১৭৬ বার প্রদশিত হয়েছে

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর রাণীনগরে গত কয়েক দিনের ঝর ও ভারী বৃষ্টিপাতে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উঠতি পাকা ধান পানিতে নুয়ে পরার কারনে জমিতেই শীষ থেকে নতুন করে ধান গাছ গজাচ্ছে। এসব জমির ধান কাটতে এলাকা ভেদে কৃষকদের প্রতি হেক্টরে খরচ পরছে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। এর পরেও অনেক জায়গায় শ্রমীক মিলছেনা। ধান কর্তনে অতিরিক্ত খরচ ও ধানের ফলন বির্পযয়ের কারনে ব্যাপক লোকসানের কবলে পরেছেন কৃষকরা।এই এলাকায় কৃষকদের কিছুটা লোকসান কেটে ওঠতে প্রনোদনা বা ভূর্তকি প্রদানের দাবি জানিয়েছেন তারা। রাণীনগর উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে, চলতি ইরি/বোরো মৌসুমে উপজেলা জুরে প্রায় ১৮ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান রোপন করেছেন কৃষকরা। শুরুতেই আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবং তেমন রোগবালাই না থাকায় ধান খুব ভাল হয়েছে। ধান কাটার শুরুতেই বিঘা প্রতি (৩৩শতক) প্রায় ২২ থেকে ২৬মন হারে ফলন হয়েছে। কিন্তু গত কয়েক দিনের ঝর ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারনে উঠতি পাকা ধান একেবারে মাটিতে নুয়ে পরেছে। কৃষকরা বলছেন,ঈদের আগেই অধিকাংশ জমির ধান পাকলেও ঈদের কারনে পর্যাপ্ত শ্রমীক আসেনি। ফলে ধান কাটতে দেরি হয়েছে। এরই মধ্যে গত কয়েক দিনের ঝর ও ভারী বৃষ্টিপাতে জমির ধানগুলো মাটিতে নুয়ে পরেছে। ধানের শীষ পানির সাথে মিশে থাকায় ইতি মধ্যে জমিতেই শীষ থেকে নতুন করে ধান গাছ গজাচ্ছে। এসব ধান কাটতে একদিকে যেমন পর্যাপ্ত খরচ গুনতে হচ্ছে।অন্য দিকে ফলনও কম হচ্ছে আবার বাজারে বিক্রিতে দরও ভাল পাওয়া যাচ্ছেনা। ফলে ব্যপক লোকসানে পরেছেন কৃষকরা। উপজেলার করজগ্রামের কৃষক আনিছুর রহমান বলেন,এবার তিনি প্রায় ১২ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছেন। ঈদের আগে দুই বিঘা জমির ধান কাটতে পারলেও এখনো ১০ বিঘা জমিতে পাকা ধান রয়েছে। বৃহস্পতিবার সাড়ে ৮ হাজার টাকা বিঘা ধান কাটা চুক্তি দিয়েছেন। বেলঘড়িয়া গ্রামের কৃষক জুয়েল বলেন,৯বিঘা জমির মধ্যে বৃষ্টির আগে তিন বিঘা জমির ধান কাটতে পেরেছেন। এছাড়া ৬বিঘা জমির ধান মাটিতে নুয়ে পরার কারনে ধানের শীষ থেকে নতুন করে গাছ গজাচ্ছে। তিনি বলছেন,ওই ধান কাটতে সাড়ে ৭হাজার টাকা বিঘা চুক্তি দিয়েছেন।
কালীগ্রামের কৃষক আনছার আলী বলেন,মাটিতে নুয়ে পরা ধান কাটতে ৭হাজার টাকা বিঘা চুক্তি দিয়েছেন। বর্তমানে বিঘা প্রতি ধানের ফলন হচ্ছে ১২ থেকে ১৪মন। ওই ধান বাজারে ৮শত থেকে ৮৫০টাকা মন বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলে ব্যপক লোকসানের কবলে পরেছেন তারা। কৃষকদের কিছুটা লোকসান কেটে ওঠতে সরকারীভাবে পর্যাপ্ত প্রনোদনা বা ভূর্তকি প্রদানের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
রাণীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: শহিদুল ইসলাম বলেন,ঝর ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারনে ধানগুলো সব মাটিতে নুয়ে পরেছে। ফলে ধান কাটতে অতিরিক্ত টাকা খরচ হচ্ছে কৃষকদের। এছাড়া ফলনেও বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। তিনি বলছেন সময় মতো শ্রমীক পেলে কৃষকদের এমন ক্ষতি হতোনা। তবে এখন আর শ্রমীক সংকট নেই। ইতি মধ্যে উপজেলা জুরে প্রায় ৮২ভাগ ধান কর্তন হয়েছে। হয়তো আগামী সপ্তাহের মধ্যেই ধান কর্তন শেষ হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies