1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

রসুন পেঁয়াজ আর ডিমে অস্থির বাজার

  • সম্পাদনার সময় : শনিবার, ১৪ মে, ২০২২
  • ১৭০ বার প্রদশিত হয়েছে

একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির ফলে ভোগান্তি কমছে না ক্রেতাদের। তেল কাণ্ড শেষ হতে না হতেই এবার ঊর্ধ্বমুখী রসুন, পেঁয়াজ ও ডিমের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে রসুন-পেঁয়াজের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। প্রতি ডজন ডিমেও বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। এ তিনটি ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিক্রেতারা বলছে, রাজধানী ঢাকার পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা দাম বেড়েছে। সপ্তাহের শুরুতেও প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজের দাম ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে। গতকাল শুক্রবার তা বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে যে রসুন কিনেছিলাম ৪০ টাকায়, আজকে বাজারে গিয়ে ৮০ টাকা দরে রসুন কিনতে হয়েছে। গত সপ্তাহেও ভারতীয় রসুন কেজিপ্রতি বিক্রি করেছিলাম ১১০ টাকা। এখন সেটি ১৩০-১৪০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। কেবল রসুন নয়, বেড়েছে পেঁয়াজ-আদার দামও। কয়েক দিন আগেও চায়না আদার দাম ছিল ৯০-৯৫ টাকা। এখন সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২০ টাকা। বার্মিজ আদার দাম ছিল ৬০ টাকা। এখন কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০-৯০ টাকা। জানা গেছে, সরকার পেঁয়াজ আমদানির যে অনুমোদন দিয়েছিল, তার মেয়াদ ৫ মে শেষ হয়েছে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১ মে থেকে ৬ মে পর্যন্ত ছয় দিন স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ ছিল। ফলে এপ্রিলের পর আর আমদানির পেঁয়াজ দেশে আসেনি। পেঁয়াজ আমদানির জন্য অনুমতি চেয়ে ব্যবসায়ীরা নতুন করে আবেদন করলেও তা আমলে নেয়া হচ্ছে না। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, দেশে এখন পেঁয়াজ উৎপাদনের ভরা মৌসুম। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে আবাদ বাড়ানোর মাধ্যমে এবার ভালো পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদনও হয়েছে। সেই পেঁয়াজ সবে বাজারে আসতে শুরু করেছে। কিন্তু ভারতীয় পেঁয়াজের দাম এত কম থাকে যে দেশের কৃষকদের উৎপাদিত পেঁয়াজ বাজার প্রতিযোগিতায় টিকতে পারে না। তাই কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে সরকার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে নতুন করে অনুমোদন (আইপি) না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের কৃষি বিভাগ মনে করছে, এখনই আইপি দিলে কৃষকরা আর্থিক ক্ষতিতে পড়বেন। আগামী বছর উৎপাদনে আগ্রহ হারাবেন কৃষক। শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, টমেটো ৬০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটোল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, চাল কুমড়া প্রতি পিস ৫০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকায়। প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। এ ছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। দেশী মসুরের ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। বেড়েছে ডিমের দাম। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। হাঁসের ডিমের ডজন ১৬০ টাকা। দেশী মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়। গোশতের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে গরুর গোশত কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকায়। খাসির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়। এসব বাজারে বেড়েছে মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩১০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায়। মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, বড় রুই ৩৫০-৪০০, মাঝারি রুই ৩০০-৩৫০, কাতলা ২৮০-৩০০, বড় পাঙ্গাশ ২০০-২৫০, গলদা চিংড়ি আকারভেদে ৬৫০-৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট, মাঝারি, বড় ইলিশ মাছ যথাক্রমে ৯০০, ১১ শ’ ও ১৩ শ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট পাবদা মাছ ৪৫০, বড় পাবদা মাছ ৬০০, গোলশা ৭০০, পোয়া ৬০০, বাইম ৯০০, বাতাসি ৮০০, মলা ৫০০, কাঁচকি ৫০০-৬০০, শিং ৪৫০-৫০০ ও গুঁড়ো মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি দরে। মুদি পণ্যের মধ্যে মুগডাল ১২৫, বুটের ডাল ৮০, অ্যাংকর ডাল ৫৫, মসুর ডাল ১২৮, ছোলা ৭৫-৮০, খোলা চিনিগুঁড়ো চাল ১০৫, মিনিকেট চাল ৫৫, নাজিরশাইল চাল ৭০ ও চিনি ৮০-৮৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies