নওগাঁ প্রতিনিধি: খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমমর্যাদা ও সমঅধিকারের ভিত্তিতে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়তে নিরলস কাজ করছেন। সে ধারাবাহিকতায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়নেও ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছেন তিনি। এক সময় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার বাইরে ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন তারা শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখছেন। শনিবার বেলা ১২টায় নওগাঁর সাপাহার উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ ও শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বছরের শুরুতেই এখন শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিচ্ছে সরকার। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির অর্থ মায়েদের মোবাইলে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার প্রসারেও কাজ করছে বর্তমান সরকার। সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, দেশে মানুষ বাড়ছে কিন্তু জমির পরিমান প্রতিনিয়ত কমছে। অন্যদিকে সরকারের দূরদৃষ্টিসম্পন্ন কৃষিবান্ধব নীতি ও কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রমে কৃষি উৎপাদনও বাড়ছে। একারনে ১৭ কোটি মানুষের দেশে খাদ্যসংকট নেই-কেউ না খেয়ে নেই। তিনি আরো বলেন, এবার নানা কারনে ধানের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসময় তিনি আউশের প্রণোদনার উপকরণের মাধ্যমে চাষাবাদ বাড়াতে কৃষকদের প্রতি আহবান জানান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আব্দুল্যাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো: শাহাজাহান হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম শাহ চৌধুরী, এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেকুর রহমান সরকার। মন্ত্রী অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ২০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ ও ১৪০ জন শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষাবৃত্তির অর্থ তুলে দেন। পরে খাদ্যমন্ত্রী কৃষকদের উফশী আউশ চাষে আগ্রহী করে তোলার জন্য (২০২১-২০২২ অর্থ বছরে) সাপাহার উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে এক হাজার একশ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে মহিলা অধিদপ্তরের আয় বর্ধক কর্মসূচির আওতায় ৫০ জন মহিলার মাঝে অর্থ সহায়তার চেক বিতরণ করেন তিনি। এর পরে মন্ত্রী আনসার সদস্যদের জন্য নির্মিত ব্যারাকের উদ্বোধন করেন।