1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান বিজয়ী হলে প্রতিশোধ নেব না, সবাইকে ক্ষমা করা হবে: জামায়াত আমির মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সমস্যার সমাধানে ধানের শীষে ভোট দিন-সাবেক এমপি লালু রংপুর নগরীর বাণিজ্যিক জোনে জিএম কাদেরের প্রচারণায় জাপার শীর্ষ নেতারা আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চাই-নন্দীগ্রামে মোশারফ হোসেন বগুড়াবাসি ধানের শীষে ভোট দিতে মুখিয়ে আছে-ভিপি সাইফুল ভোটের হিসাব কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নেবেন: তারেক রহমান বৈষম্য বিরোধীর দুই মামলায় চার্জশীট: শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চানখারপুলে ছয় হত্যা: ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সশস্ত্র বাহিনীকে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার

সিইসি নূরুল হুদার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা

  • সম্পাদনার সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ২৩৬ বার প্রদশিত হয়েছে

আদালতের আদেশের পরও গণসংহতি আন্দোলনকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন না দেয়ায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।
বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সাকির আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া মামলাটি করেন। জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে গণসংহতি আন্দোলনের নিবন্ধন চেয়ে ২০১৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে আবেদন করা হয়। নির্বাচন কমিশন ২০১৮ সালের ১৯ জুন এক পত্রের মাধ্যমে দলটির নিবন্ধন করা যাবে না বলে জানায়। পরবর্তী সময়ে গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষে প্রধান সমন্বয়ক মো. জোনায়েদ সাকি ২০১৮ সালে উচ্চ আদালতে রিট করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল আদেশ দেয় এবং রায় ও আদেশের অনুলিপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নিবন্ধন দেয়ার আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়। পরে গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে ওই রায় ও আদেশের সত্যায়িত কপি যথাসময়ে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হয় এবং আদালত থেকেও নিয়ম অনুযায়ী রায় ও আদেশের কপি পাঠানো হয়। তবে আদালতের সুস্পষ্ট রায় ও নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এরপর বিভিন্ন সময়ে ওই রাজনৈতিক দলের পক্ষে বারবার যোগাযোগ করেও ফল মেলেনি। এ জন্য ২০২১ সালের ১০ অক্টোবর আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত অবমাননার নোটিশ দেয়া হয়।
নোটিশ পাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও নির্বাচন কমিশন কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষে জোনায়েদ সাকি পুনরায় সিইসি কে এম নুরুল হুদার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চেয়ে মামলা করেন।
এ প্রসঙ্গে জোনায়েদ সাকি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা ভেবেছি আদালতের নির্দেশে নির্বাচন কমিশন তার কাজটি করবে। কিন্তু তারপরও না করায় গত বছরের ১০ অক্টোবর আমরা আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত অবমাননার নোটিশ দিই। জানানো হয়, আপনারা কোনো পদক্ষেপ না নিলে আদালত অবমাননার মামলা করব।’ তারপরও নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে জানান জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, ‘এই কমিশন বিদায় নেয়ার পর্যায়ে চলে এসেছে। আদালতের নির্দেশ মান্য না করে, বরং অবমাননা করে তারা বিদায় নিচ্ছে। তাই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে তার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চেয়ে মামলা করেছি।’

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies