1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমাদের লক্ষ্য কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো : প্রধানমন্ত্রী বগুড়া জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন আহসানুল তৈয়ব জাকির নন্দীগ্রামে দেওতা খানকার ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আশিক গ্রেফতার আদমদীঘি ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা খাল-নদী খননের মাধ্যমে দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়া: -প্রতিমন্ত্রী বারী খরা সহিঞ্চু বারি গম-৩৩ জাতের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ সদর আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা শুরু পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে রোটারী ক্লাব অব বগুড়ার আয়োজনে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

নওগাঁর সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন দৃষ্টিনন্দন একটি মিনি পার্ক

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ২৪৭ বার প্রদশিত হয়েছে

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার শেষ সীমান্তে অবস্থিত সাপাহার উপজেলা। এই উপজেলায় স্বস্থ্যের মান নিশ্চিত করতে ১৯৮২ সালে সরকারীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ১৯৮৮ সালে ৩১ শয্যা বিশিষ্ট ভবন হিসেবে নির্মিত হয়। পরে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট শিশুবান্ধব হাসপাতাল নামে পরিচিতি অর্জন করে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন উন্নয়নের মাঝে স্থান পেয়েছে হাসপাতালের চারিপাশে মিনি পার্কের আদলে গঠিত ফুল বাগিচা। যা সাধারণ রোগী সহ পর্যটকদেরও মন কাড়ে! উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করতেই চোখে পড়বে পরিস্কার তকতকে রাস্তা। রাস্তার দু’পাশে নানা ধরণের ফুল গাছ। একটু ভিতরে প্রবেশ করলে চোখে পড়বে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে মিনি পার্কের আদলে গঠিত সুসজ্জিত ফুল বাগিচা। হরেক রকম বাহারী ফুলের গাছ। ফুটে আছে লাল,নীল,হলুদ সহ নানান রঙ-বেরঙের ফুল। একদিকে ঝর্ণার পানি সংরক্ষিত রাখার ছোট্ট একটি চৌবাচ্চা। লম্বা হয়ে নেতিয়ে পড়েছে বাহারী ফুলের ডাল! চারদিকে ফুলের মৌ মৌ গন্ধ । এ যেন মুগ্ধতার এক অপরূপ দৃশ্য যা সত্যিই যেন মন কাড়ার মতো! আরেকটু সামনে এগিয়ে গেলে দৃষ্টি পড়ে বনজ ও ঔষধী গাছের সমন্বয়ে গঠিত একটি বাগান। এখানে শোভা পাচ্ছে নানা রকম বনজ ও ঔষধী গাছ।এর পাশেই শোভা পাচ্ছে শান বাঁধানো দৃষ্টিনন্দন পুকুর ঘাট। পুকুরের পানিতে শোভা পাচ্ছে জাতীয় ফুল শাপলা! তার অপর দিকে দৃষ্টি ফেরাতেই চোখে পড়বে কয়েকটি দোলনা। যাতে প্রতিনিয়তই বিভিন্ন এলাকা হতে আসা শিশুরা মনের আনন্দে দোল খাচ্ছে। কোয়ার্টারের দেয়ালগুলোতে নানারকম চিত্রকর্মও যেন নজর কাড়ার মতো! একদিকে টবে সাজানো নানারকম পাতা বাহারের গাছ। একই টবে বপন করা হয়েছে নানা রকম শাক পাতার গাছ। একদিকে যেমন সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে অপরদিকে স্বাস্থ্যসম্মত শাক পাতাও পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। এযেন এক ব্যতিক্রমী উদ্যেগ। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয়তলায় রয়েছে শিশু কর্ণার। বিভিন্ন এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য নানাবিধ খেলনা দিয়ে সাজানো হয়েছে এই শিশু কর্ণার। হাসপাতালের ভিতরে রোগী ও পর্যটকদের গাড়ী রাখার সুবিধার্থে তৈরী করা হয়েছে সাদৃশ্যপূর্ণ একটি গ্যারেজ। এখানে নিরাপদে গাড়ী রেখে চিকিৎসা গ্রহন করতে পারে সাধারণ রোগীরা। এই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসেন রোগীরা। মনমতো চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পরে অনেকে ফুলগাছের সাথে মেতে উঠেন ছবি উঠানোর জন্য। শুধু তাই নয় নেট দুনিয়ায় এই হাসপাতালের মিনি পার্কের ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়ায় বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকরাও আসেন প্রশান্তির ছোঁয়া নিতে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এধরণের ব্যতিক্রমী উদ্যেগ গ্রহন করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ মুহাম্মদ রুহুল আমিন ও তার টিম। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল আজকের এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী শরিফুল ইসলাম বলেন, এই হাসপাতালে প্রবেশ করলেই রোগ ৫০শতাংশ সেরে যায়। হাসপাতালের পরিবেশ ও ফুল-ফলের গাছ দেখে সত্যিই খুব মুগ্ধ হয়েছি।এরকম পরিবেশ দেশের প্রতিটি হাসপাতালে থাকা দরকার। ছেলের চিকিৎসা নিতে আসা আসাদুল ইসলাম বলেন, মফস্বল এলাকায় হাসপাতালের দৃশ্য যে এতো সুন্দর হতে পারে তা অকল্পনীয়। আমি আমার ছেলের চিকিৎসা নেওয়ার পরে তাকে পুরো হাসপাতাল ঘুরে দেখালাম। সুন্দর পরিবেশে ঘোরার পর তার অসুস্থতা অনেকটাই কমে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, হাসপাতালে আসার পর থেকে দেখি নানান রকম জিনিস পত্রাদির অভাব রয়েছে। কিছু জায়গা অব্যাবহৃত হয়ে পড়ে আছে। আমি সেসব জায়গাগুলো লোক লাগিয়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে ফুলের গাছ লাগানো সহ একটা সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্ঠা করেছি। এবং বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা থেকে শুরু করে বাইরের সব দৃশ্যগুলো সর্বস্তরের মানুষের নজর কাড়ে। আমাদের দেখে অনেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এধরণের উদ্যেগ গ্রহন করেছেন। বর্তমানে একটি পরিত্যক্ত জায়গা পরিস্কার করে নানা রকম ফলের বাগান করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি এব্যাপারে তার টিমকেও ধন্যবাদ জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies