নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছেন প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ। চলমান এ সংলাপকে ‘অর্থহীন’ উল্লেখ করে এতে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। বুধবার দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান এলডিপি’র প্রেসিডেন্ট ডক্টর কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সংলাপের নামে যা হচ্ছে তা হলো চা চক্র। আগেও আলোচনা হয়েছে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফল আসেনি। এই সংলাপে যাওয়া অর্থহীন। প্রেসিডেন্ট একজন ভালো মানুষ। তার কোনো ক্ষমতা নাই। তিনি সবচেয়ে ভাগ্যবান মানুষও।
স্পিকার থেকে প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। কর্নেল অলি আহমদ বলেন, চা খেতে এবং জনগণের টাকা নষ্ট করতে বঙ্গভবনে যাবো না। নিজের আত্মসমালোচনা করে কর্নেল অলি বলেন, আজকে এই সংকটের পেছেনে আমিও দায়ী। এজন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাই। ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বাড়াতে যে প্রক্রিয়া হয়েছে তাতে আমারো অনেক ভূমিকা ছিলো। তখন যদি বুঝতাম, তাহলে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনতাম। এলডিপি মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমদ এর সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আওরঙ্গজেব বেলাল, ড. নিয়ামুল বশির, অ্যাডভোকেট মনজুর মোর্শেদ, সহ সভাপতি ড. আবু জাফর সিদ্দিকী, যুগ্ম মহাসচিব তমিজ উদ্দিন টিটু, বিলাল হোসেন মিয়াজি, অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন মানিক প্রমূখ।