নওগাঁ প্রতিনিধিঃ দেশে এমন কোন ব্যক্তি নেই, যে শেখ হাসিনা সরকারের অনুদান পান নাই, হোক সে বিএনপি বা জামায়াত। দেশে বয়স্কভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যাক্ত ভাতা এমনকি হিজড়া ভাতাও এই শেখ হাসিনা সরকার দিচ্ছে। যদি কেই কৃষক হয়, তাহলে সে কৃষি ভর্তুকি পাচ্ছে, যদি সে ব্যবসায়ী হয়, তাহলে সে বিভিন্ন রকমের সহযোগিতা পাচ্ছে, যদি সে এগুলোর একটিও না হন, কিন্ত সে একজন সন্তানের পিতা, তাহলে সে সরকারী বই পাচ্ছেন এবং বিনামূল্যে লেখাপড়া করার সুযোগ পাচ্ছেন। প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ হয়েছে, এখন আর কোন মা-বোনকে টিউবওয়েল চাপিয়ে পানি খেতে হয় না, প্রত্যেক পাড়ায় পাড়ায় সাব-মার্সিবল পাম্প দেওয়া হয়েছে। এসবি বঙ্গবন্ধ কন্যা মানবতার জননী শেখ হাসিনার অবদান। শনিবার ১১ ডিসেম্বর দুপুরে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বেসরকারী সংস্থা আরকোর আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের মাঝে কোভিড-১৯ সংকট মোকাবেলার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপরোক্ত কথা গুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, আগে বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের নিয়ে এসে মিটিং মিছিল করে তাদের দাবী আদায়ের কথা বলে, সেই ছবি বিদেশে পাঠিয়ে কোটি কোটি টাকা আয় করেছে। কিন্তু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের জীবন মানের উন্নয়ন হয়নি। তাদের যা দেওয়া হতো তা ঋন হিসাবে। কিন্তু এখন সে সুযোগ নেই। বিদেশ থেকে এখন যা নিয়ে আনবে তাই বিতরণ করা হবে। আজকেই তার উদাহরণ। রেজিলিয়েন্স ইকোনমি ভলাটিলিটি অব ইনডিজিনাস এন্ড ভালনারব্ল পপুলেশন থ্রো ইমপাওয়ারমেন্ট (রিভাইভ) প্রকল্পের আওয়ায় এবং আরকোর সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন মনোয়ারা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ আরকোর নির্বাহী পরিচালক সজল চৌধুরী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন । এসময় উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে হাজিনগর, চন্দননগর ও ভাবিচা এই তিন ইউনিয়নের ১ হাজার ৫০ জনের মধ্যে প্রতিজনকে ৪ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এর আগে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি রাওতাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভিটামিন “এ” প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ তোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার শহিদুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন । এই ভিটামিন “এ” প্লাস ৬ মাস বয়সের শিশু থেকে শুরু করে ৫ বছরের শিশু পর্যন্ত খাওয়ানো হবে। ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।