1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে - Uttarkon
রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গুলির সঙ্গে কোনো সংলাপ হয় না : সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ রাজশাহীতে শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংঘর্ষ, আহত ২০ পাবনায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, পুলিশসহ কয়েকজন আহত দুপচাঁচিয়ায় সকল গ্রেডে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল কুড়িগ্রামে বানের পানিতে ভেসে গেছে ৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকার মাছ কোটা আন্দোলন: রাজধানীসহ সারা দেশ রণক্ষেত্র, নিহত ১২ উত্তরার হাসপাতালে আরও চার মরদেহ, সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১০ জন নিহতের খবর আন্দোলনত শিক্ষার্থীরা মুক্তির সন্তান, স্বপ্নের বিপ্লব গড়ে তুলছে: রিজভী সোহেল-নিরব-টুকুসহ বিএনপির ৫০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে আজ মাঠে নেমেছে বিএনপি-জামায়াত: কাদের

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে

  • সম্পাদনার সময় : বুধবার, ১০ জুলাই, ২০২৪
  • ১৫ বার প্রদশিত হয়েছে

কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের সবকটি নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করলেও ব্রহ্মপুত্রের ৩টি পয়েন্টে ও দুধকুমরের পানি ১টি পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও বসতবাড়ী ও রাস্তাঘাট থেকে পানি ধীর গতিতে নামতে থাকায় দুর্ভোগ কমেনি বানভাসীদের। দুর্গত এলাকায় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও গো-খাদ্যের তীব্র সংকটে পড়েছে বানভাসীরা। বাড়ি-ঘর থেকে পানি না নামায় এখনও ঘরে ফিরতে পারেনি বন্যা কবলিত মানুষজন। এ দিকে, বন্যার্তদের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ৫শ ৩২ মেট্টিক টন চাল, ২২ হাজার শুকনো খাবার প্যাকেট ও ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে জানিয়েছে জন প্রতিনিধিরা।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর জানান, আমার ইউনিয়নের ৮হাজার ৫শ পরিবারের মধ্যে ৬ হাজার পরিবারই বন্যা কবলিত। জেলা প্রশাসন থেকে এখন পর্যন্ত চাল ও চিড়া মিলে ১৫ টন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যা আমি দেড় হাজার পরিবারের মাঝে বিতরণ করেছি। বাকী পরিবারদেরকে কোন ত্রাণ সহায়তা দিতে পারিনি। সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান জানান, বন্যার পানি কমলেও এখনোও বানভাসীদের দুর্ভোগ কমেনি। তার ইউনিয়নে সরকারিভাবে ৪ টন চাল বরাদ্দ পেয়েছেন এবং ১০ কেজি করে .৪ শত পরিবারের মাঝে বিতরণ করেছেন। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার, হাতিয়া পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে হচ্ছে।  অপরদিকে দুধকুমরের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদ-নদীর পানি হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright &copy 2022 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies